নবী মুহাম্মদ তার জীবনে যতগুলো যুদ্ধ করেছিলেন, সেগুলোর অধিকাংশই ছিল আক্রমণাত্মক। বানু কুরাইজা গোত্রকে এক দিনে আক্রমণ করে উধাও করে ফেলা হয়। ৬০০-৯০০ জলজ্যান্ত মানুষকে একদিনে জবাই করা হয়। সেটি ছিল সম্পূর্ণই আক্রমণাত্মক বা নির্মম গণহত্যা। এছাড়াও মুহাম্মদ মক্কার আশেপাশে অনেকগুলো গোত্রকে আক্রমণ করতে খালিদ বিন ওয়ালিদ সহ অনেককেই পাঠিয়েছিল। এছাড়াও সূরা তওবা নাজিলের প্রেক্ষাপট দেখলে বোঝা যায়, এসময়ে কোন যুদ্ধই ছিল না। কাফেররা সেসময়ে মুসলিমদের অনুগতই ছিল, তাদের দ্বারা শাসিত ছিল। এরপরেও বলা হয় সূরা তওবার প্রথম ৪০ আয়াত নাজিল হয় এবং কাফেরদের যেখানেই পাওয়া যাবে হত্যা করার হুকুম আসে। এছাড়াও আবু বকরের খিলাফতে ধর্মত্যাগী এবং যাকাত দিতে অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে আবু বকর জিহাদ চালিয়েছিল। সেসময়ে তিনি সেই সকল গোত্রকে আক্রমণ আগ বাড়িয়েই আক্রমণ করেছেন। আক্রমণাত্মক জিহাদকে অস্বীকার করলে নবী মুহাম্মদ ও তার সাহাবাগণ সকলকেই তাহলে কাফের এবং কোরআনের এই আয়াতের বিরোধীতাকারী হিসেবে গণ্য করতে হয়।
আসুন সূরা বাকারার ১৯০ নম্বর আয়াত ও তার তাফসীর পড়ে দেখা যা।। তাফসীর পড়লেই সব পরিষ্কার হয়ে যায় –
পাঠক লক্ষ্য করুন, এই আয়াতটি নাজিলের প্রেক্ষাপট। এই সময়ে অর্থাৎ হিজরতের পরে নবী মক্কায় গিয়েছিলেন হজ্ব করতে। এই সময়ে স্বাভাবিকভাবেই নবী শান্তির বাণী শুনিয়েছিলেন, কারণ তার তখন মক্কায় যাওয়া জরুরি ছিল। মক্কায় তখন কুরাইশ পৌত্তলিকরা শক্তিশালী। যেই মুহাম্মদ মক্কার দেবদেবীদের গালমন্দ করতো, তাদের ধর্মের সমালোচনা করতো, এরপরেও মক্কার পৌত্তলিক কাফেরগণ অনেক সৌজন্য দেখিয়ে পরের বছর পুরো মক্কা খালি করে মুহাম্মদকে ওমরা করার অনুমতি দেন। কিন্তু পরবর্তীতে মুহাম্মদের মক্কা দখলের পরেই অর্থাৎ মুসলিমরা শক্তিশালী হয়ে যাওয়ার পরেই নাজিল হয়ে যায় সূরা তওবা। যেখানে মুশরিকদের যেখানেই পাওয়া যাবে হত্যা করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে!
ইসলামে ধর্মে ধর্ম প্রসারের স্বার্থে অমুসলিম রাষ্ট্রে আক্রমণাত্মক জিহাদ পরিচালনা করা এবং অমুসলিমদের তরবারির জোরে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা সম্পূর্ণ বৈধ। কোরআনে এই বিষয়ে খুব পরিষ্কার বিধান উল্লেখ করা রয়েছে। আসুন এই সম্পর্কিত কোরআনের আয়াতগুলো একসাথে পড়ি তারপর (এই) নিষিদ্ধ মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে মুশরিকদেরকে যেখানে পাও হত্যা কর, তাদেরকে পাকড়াও কর, তাদেরকে ঘেরাও কর, তাদের অপেক্ষায় প্রত্যেক ঘাঁটিতে ওৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু তারা যদি তাওবাহ করে, নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত আদায় করে, তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও, নিশ্চয়ই আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু।
— Taisirul Quran
অতঃপর যখন নিষিদ্ধ মাসগুলি অতীত হয়ে যায় তখন ঐ মুশরিকদেরকে যেখানে পাবে তাদের সাথে যুদ্ধ কর এবং হত্যা কর, তাদেরকে ধরে ফেল, তাদেরকে অবরোধ করে রাখো এবং তাদের সন্ধানে ঘাঁটিসমূহে অবস্থান কর। অতঃপর যদি তারা তাওবাহ করে, সালাত আদায় করে এবং যাকাত প্রদান করে তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাপরায়ণ, পরম করুণাময়।
— Sheikh Mujibur Rahman
অতঃপর যখন নিষিদ্ধ মাসগুলো অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন তোমরা মুশরিকদেরকে যেখানেই পাও হত্যা কর এবং তাদেরকে পাকড়াও কর, তাদেরকে অবরোধ কর এবং তাদের জন্য প্রতিটি ঘাঁটিতে বসে থাক। তবে যদি তারা তাওবা করে এবং সালাত কায়েম করে, আর যাকাত দেয়, তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
— Rawai Al-bayan
অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদেরকে যেখানে পাবে হত্যা কর , তাদেরকে পাকড়াও কর অবরোধ কর এবং প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের জন্য ওঁৎ পেতে থাক; কিন্তু যদি তারা তাওবাহ্ করে, সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয় তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও নিশ্চয় আল্লাহ্ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু
তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাও যে পর্যন্ত না ফিতনা (কুফর ও শিরক) খতম হয়ে যায় আর দ্বীন পুরোপুরিভাবে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। অতঃপর তারা যদি বিরত হয় তাহলে তারা (ন্যায় বা অন্যায়) যা করে আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা।
— Taisirul Quran
তোমরা সদা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনার অবসান হয় এবং দীন সম্পূর্ণ রূপে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। আর তারা যদি ফিতনা ও বিপর্যয় সৃষ্টি হতে বিরত থাকে তাহলে তারা কি করেছে তা আল্লাহই দেখবেন।
— Sheikh Mujibur Rahman
আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই কর যতক্ষণ না ফিতনার অবসান হয় এবং দীন পূর্ণরূপে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। তবে যদি তারা বিরত হয় তাহলে নিশ্চয় আল্লাহ তারা যা করে সে বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা।
— Rawai Al-bayan
আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে থাকবে যতক্ষণ না ফেৎনা দূর হয় এবং দীন পূর্ণরূপে আল্লাহর জন্য হয়ে যায় [১] তারপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহ্ তো তার সম্যক দ্রষ্টা।
— Dr. Abu Bakr Muhammad Zakaria
ফিতনা দূরীভূত না হওয়া পর্যন্ত এবং দীন আল্লাহর জন্য নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে যালিমদের উপরে ছাড়া কোনও প্রকারের কঠোরতা অবলম্বন জায়িয হবে না।
— Taisirul Quran
ফিতনা দূর হয়ে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ কর; অতঃপর যদি তারা নিবৃত্ত হয় তাহলে অত্যাচারীদের উপর ব্যতীত শত্রুতা নেই।
অবিশ্বাসীরা ইসলাম গ্রহণ না করা পর্যন্ত অথবা জিযিয়া প্রদানের মাধ্যমে পূর্ণ অনুগত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। এখানে দ্বীন প্রতিষ্ঠার অর্থ হবে শক্তি , বিজয় এবং একচ্ছত্র শাসন প্রতিষ্ঠা। ‘ দ্বীন ‘ শব্দের এ রকম অর্থ উল্লেখ করা হয়েছে কামুস গ্রন্থে।
হজরত মেকদাদ বিন আসওয়াদ বর্ণনা করেছেন, রসুল স . বলেছেন, এক সময় ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে পৃথিবীর সকল গৃহে। অবিশ্বাস ও অংশীবাদিতা হয়ে যাবে ইসলামের সম্পূর্ণ অধীন। সকল শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য হবে কেবল আল্লাহর।
হজরত ইবনে ওমর কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে, রসুল স . বলেছেন, আমাকে অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে ওই সময় পর্যন্ত সংগ্রাম করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে-যতক্ষণ না তারা বলে, ‘ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মদুর রসুলুল্লাহ’ প্রতিষ্ঠা করে নামাজ এবং প্রদান করে জাকাত। যে এ রকম করবে আমার পক্ষ থেকে তার জীবন ও সম্পদ হয়ে যাবে সুরক্ষিত। আল্লাহ্ই তাদের অভ্যন্তরীণ হিসাব গ্রহণ করবেন ( তিনি বিচার করবেন , তারা তাদের জীবন ও সম্পদ রক্ষার জন্যে , না অন্তরের তাগিদে ইসলাম গ্রহণ করেছে )। বোখারী ও মুসলিম। হজরত আবু হোরায়রা থেকে ছয়জন সাহাবী হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। আল্লামা সুয়ুতী বলেছেন , হাদিসটি সুবিদিত ( মুতাওয়াতির )।
তরবারির ছায়াতলে” জান্নাতের অবস্থানকে চিত্রিত করার মাধ্যমে স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে যে, যুদ্ধ এবং যুদ্ধকালীন সাহসিকতাই জান্নাত প্রাপ্তির অন্যতম মাধ্যম। এর ফলে, এটি কেবল সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তাকেই নয়, বরং ধর্মীয় ও নৈতিক কর্তব্য হিসেবেও যুদ্ধকে উপস্থাপন করেছে।
যেমন
সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার
পরিচ্ছদঃ ৫৬/২২. জান্নাত হল তলোয়ারের ঝলকানির তলে।
মুগীরাহ ইবনু শু‘বা (রাঃ) বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জানিয়েছেন, আমাদের ও প্রতিপালকের পয়গাম। আমাদের মধ্যে যে শহীদ হলো সে জান্নাতে পৌঁছে গেল।
‘উমার (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলেন, আমাদের শহীদগণ জান্নাতবাসী আর তাদের নিহতরা কি জাহান্নামবাসী নয়? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, হ্যাঁ।
২৮১৮. ‘উমার ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ্ (রহ.)-এর আযাদকৃত গোলাম ও তার কাতিব সালিম আবূন নাযর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) তাঁকে লিখেছিলেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা জেনে রাখ, তরবারির ছায়া-তলেই জান্নাত।
উয়াইসী (রহ.) ইবনু আবূ যিনাদ (রহ.)-এর মাধ্যমে মূসা ইবনু ‘উকবাহ (রহ.) থেকে হাদীস বর্ণনার ব্যাপারে মু‘আবিয়াহ ইবনু ‘আমর (রহ.) আবূ ইসহাক (রহ.)-এর মাধ্যমে মূসা ইবনু ‘উকবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অনুসরণ করেছেন। (২৮৩৩, ২৯৬৬, ৩০২৪, ৭২৩৭) (মুসলিম ৩২/৬ হাঃ ১৭৪২, আহমাদ ১৯১৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬২০)
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ অনুযায়ী, প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং নিজস্ব মতামত পোষণের অধিকার রয়েছে। কারও ওপর ধর্মবিশ্বাস চাপিয়ে দেওয়া বা জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার প্রচেষ্টা, কোন ধরণের ভয়ভীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে চাপ প্রদান মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে। এমন ধরনের চিন্তাধারা সভ্য সমাজে সাম্প্রদায়িকতা, ভেদাভেদ এবং সংঘাত সৃষ্টির জন্য উর্বর ভূমি তৈরি করে। যখন একটি সম্প্রদায় তাদের ধর্মকে অন্যদের ওপর চাপিয়ে দিতে চায়, তখন তা ধর্মীয় ও সামাজিক বৈষম্যের জন্ম দেয় এবং যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করে। এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি মানুষের মধ্যে সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে ধ্বংস করে, যা একটি শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনের অন্তরায়। তাই এই হাদিসের বিবৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কোনো সমাজ যদি পরিচালিত হয়, তা জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ ও আধুনিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী হবে ।
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৩৮/ ঈমান
পরিচ্ছেদঃ ১. যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ না বলবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কিতাল করতে আমি আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি
২৬০৭। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মৃত্যুর পর আবূ বকর (রাযিঃ) যখন খলীফা নির্বাচিত হন, তখন আরবের কিছু সংখ্যক লোক কাফির হয়ে যায়। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) আবূ বাকর (রাযিঃ)-কে বললেন, আপনি এদের বিরুদ্ধে কিভাবে অস্ত্ৰধারণ করবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ যে পর্যন্ত না “আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কোন প্ৰভু নেই” এই কথার স্বীকৃতি দিবে সেই পর্যন্ত আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। আর যে ব্যক্তি বললো, “আল্লাহ ব্যতীত আর কোন প্ৰভু নেই” সে আমার থেকে তার মাল ও রক্ত (জীবন) নিরাপদ করে নিল। তবে ইসলামের অধিকার সম্পর্কে ভিন্ন কথা। আর তাদের প্রকৃত হিসাব-নিকাশ রয়েছে আল্লাহ তা’আলার দায়িত্বে।
আবূ বকর (রাযিঃ) বললেনঃ আল্লাহর শপথ নামায ও যাকাতের মধ্যে যে ব্যক্তি পার্থক্য করে আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবোই। কেননা যাকাত সম্পদের হাক্ক। কেউ উটের একটি রশি দিতেও যদি অস্বীকার করে, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দিত, আল্লাহর কসম! আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবোই। তারপর উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি দেখতে পেলাম আল্লাহ যেন যুদ্ধের জন্য আবূ বাকরের অন্তর উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। অতঃপর আমি বুঝতে পারলাম যে, তার সিদ্ধান্তই যথার্থ।
সহীহঃ সহীহাহ (৪০৭), সহীহ আবূ দাউদ (১৩৯১-১৩৯৩), বুখারী ও মুসলিম।
আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। শু’আইব ইবনু আবী হামযা (রহঃ) যুহরী হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদিল্লাহ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ)-এর সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। এই হাদীস মামার-যুহরী হতে, তিনি আনাস (রাযিঃ) হতে, তিনি আবূ বাকর (রাযিঃ) হতে এই সূত্রে ইমরান আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনাটি ভুল। ‘ইমরানের ব্যাপারে মা’মার হতে বর্ণিত বর্ণনাতে বিরোধিতা করা হয়েছে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
উপসংখ্যা আমরা এটা বলতে পারি ও পুরুষ তো হাদিস এবং কোরআনের আয়াত ব্যাখ্যা থেকে আমরা বুঝতে পেরেছি কোরআন এবং ইসলাম মানুষকে আক্রমণাত্মক যেহেতু বিষয়তো করেছেন এবং উগ্রম মৌলবাদীরা সেটি সেটি লক্ষ্য করছে।
Naimul Islam
Bestman9158579020
ব্লগার স্বাধীন মস্তিষ্ক বাংলা
সতর্কতা: এই লেখাটির রেফারেন্স গুলো গবেষণার মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে, বিভিন্ন ব্লগিং ওয়েবসাইট এবং বই থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
