দেশ এখন উগ্রম মৌলবাদীদের দখলে।

যে কট্টর মুসলিম মৌলবাদি হেফাজতি ইসলামির কাছে হাঁটু গেড়ে বসে   রানীমাতা  দান করে এসেছিলেন বিপুল পরিমাণ জমি, এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ, যেন আরও আরও মাদরাসা বানানো হয়, শিশু কিশোরদের যেন আরও আরও  কোরান পড়ানো হয়, আরও আরও মগজধোলাই করা হয়, আরও আরও জিহাদি পয়দা করা হয়, যে  হেফাজতিদের খুশি করার জন্য দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার  সর্বনাশ করতে দ্বিধা করেননি, সেক্যুলার আদর্শ   ছুঁড়ে ফেলে দিতে দ্বিতীয়বার ভাবেননি,,  সেই হেফাজতিরা   হাট হাজারি থেকে লং মার্চ করে গণভবনের দিকে  আসছে তাঁকে   লাথি মেরে গদি থেকে সরাতে। বছরের পর বছর তিনি শত্রুদের পা চেটে গেছেন, বন্ধুদের দূর দুর করে তাড়িজঙ্গীবাদের পতাকা বহন করে নিয়ে যাচ্ছে মেধাবীরা! হ‍্যাঁ, এটাই আজকের বাংলাদেশ।
চাটুকারদের সঙ্গে আমোদ প্রমোদের ঘর করে গেছেন। শিক্ষা তো এইবার কিছুটা  হওয়া উচিত

হাসিনার পরে জামাত ও উগ্র মৌলভীরা যেভাবে বেড়ে উঠেছে

সংসদের লোগোর নিচে জঙ্গি পতাকা

জঙ্গীবাদের পতাকা বহন করে নিয়ে যাচ্ছে মেধাবীরা! হ‍্যাঁ, এটাই আজকের বাংলাদেশ।

জলের গানের প্রধান রাহুল আনন্দ ।
রাহুল আনন্দ হিন্দু ।
রাহুল আনন্দ ঢাকার শেখ মুজিবুর মিউয়ামের কাছাকাছি থাকত ।
রাহুল আনন্দ অসংখ্য দিশি মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট তৈরি করেছিল , প্রায় হাজারের
উপর । মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট গুলো বাড়িতেই
থাকত । রাহুল আনন্দ বিদেশে বিশেষত
ফ্রান্সে খুব পপুলার ।
একবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো বাংলাদেশ সফরে এসে একমাত্র রাহুল আনন্দের বাড়ি গিয়েছিল ।
কিন্তু বাংলাদেশের মত ইসলামিক দেশে
ইসলাম মতে গান বাজনা হারাম !
গত আগস্টে  জেহাদি ইসলামিকরা
রাহুল আনন্দের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়

দেশে হাজার হাজার সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে এবং তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে উগ্রম মৌলবাদী মুসলিমরা।

এই জঙ্গিবাদিদের দমনে সরকার নিশ্চুপ। সয়ং মোহাম্মদ ইউনূছ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরিরের সদস্য মাহফুজকে জাতিসংঘে পরিচয় করিয়ে দিলেন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের মাষ্টারমাইন্ড হিসেবে।
কী আর বলার থাকে। দেশে নামে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকলেও দেশ চালাচ্ছে হেফাজত জামাত ইসলামি জঙ্গিরা।

উপসংহারে এটি বলতে চাই নামে শান্তির ধর্ম হলেও মুসলিম একটা অশান্তির ধর্ম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *